ধর্ষণের আগুনে পোড়া বাংলাদেশ: ইউনুসের অরাজকতায় নারীদের কান্না
মোহাম্মদ জাহিন, যুক্তরাজ্য থেকে
হে ইউনুস, তোমার ‘নারী ক্ষমতায়ন’-এর গ্রামীণ ব্যাঙ্কের স্বপ্ন কোথায় গেল, যখন তোমার রাজত্বে ৯০ দিনে ৩৪২টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে? মেয়েদের মাথাবিহীন লাশ পড়ে আছে রাস্তায়, হিন্দু-খ্রিস্টান মেয়েরা জঙ্গিদের হাতে ধর্ষিত হয়ে চিৎকার করছে, আর তুমি? তুমি তোমার গুন্ডাদের দিয়ে অ্যান্টি-রেপ প্রটেস্টে এজেন্ট পাঠিয়ে নারীদের উপর হামলা করিয়ে দাও!
২০২৪-এর ৭ আগস্ট, কুমিল্লায় ১৯ বছরের হিন্দু ছাত্রী রিপা রানী দাসকে বিএনপি নেতা আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে ৭ জন মিলে গ্যাং রেপ করে। তারপর গলা কেটে লাশ ফেলে যায় ধানখেতে। পুলিশ? তারা মামলা নেয়নি। কারণ কাদের তোমার সরকারের ‘সংস্কার কমিটি’-র সদস্য।
২০২৪ এর ১৪ আগস্ট, বরিশালে ১৬ বছরের খ্রিস্টান মেয়ে মেরি গোমেজকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ৫ দিন ধরে ধর্ষণ। তারপর লাশ ফেলে দেওয়া হয় কীর্তনখোলা নদীতে। পরিবার মামলা করতে গেলে পুলিশ বলে, “মেয়ে নিজেই পালিয়েছিল।”
২০২৪ এর ২৫ সেপ্টেম্বর, সিলেটে ১৪ বছরের দুই বোনকে স্কুল থেকে ফেরার পথে তুলে নিয়ে ১১ জন মিলে ধর্ষণ। একজন মারা যায়, আরেকজন পাগল হয়ে যায়। অপরাধীরা? জামায়াতের ছাত্রশিবিরের নেতা। তাদের গ্রেপ্তার? না, তারা তোমার সরকারের মিছিলে মঞ্চে বসে।
২০২৪ এর অক্টোবরে রাজশাহীতে ২১ জন নারী ধর্ষিত। এর মধ্যে ৭ জন আত্মহত্যা করে। কারণ? পুলিশ তাদেরই বলে “চরিত্রহীন”। একজনের বাবা আত্মহত্যা করে লজ্জায়।
২০২৪ এর নভেম্বরে ঢাকায় ৪১ জন ধর্ষণের শিকার। এর মধ্যে ৯ জন শিশু। একজন ৬ বছরের মেয়ে। অপরাধীদের মধ্যে ১৪ জন তোমার সরকারের ‘যুব উন্নয়ন কর্মী’।
তুমি যখন পুলিশকে অপরাধীদের সুরক্ষা দিতে বলো, তখন কি তোমার মনে পড়ে না যে ১৯৭১-এ পাকিস্তানিরা ২ লাখ নারীকে ধর্ষণ করেছিল, আর এখন তোমার জামায়াতের ভাইরা সেই পথ ধরেছে? এই ধর্ষণের জ্বালায় বাংলাদেশের নারীশক্তি পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে, আর তুমি নীরবে বসে আছো।
তোমার এই নীরবতা একটা অপরাধ, ইউনুস! নারীদের রক্ষা করার নামে তুমি যদি না উঠে দাঁড়াও, তাহলে তোমার নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। বাংলাদেশের মেয়েরা তোমার রক্তাক্ত হাত দেখে কাঁপছে—পদত্যাগ করো, না হলে ইতিহাস তোমাকে ধর্ষকের সহযোগী বলে লিখবে!

